প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই ‘লস্ট আর্ক’-এর বাজিমাত
‘স্টিম’ প্ল্যাটফর্মে অভিষেকের প্রথম ঘন্টাতেই বাজিমাত করেছে ‘ম্যাসিভ মাল্টিপ্লেয়ার অনলাইন (এমএমও)’ ঘরানার গেম ‘লস্ট আর্ক’। খেলার ধরন বিবেচনায় জনপ্রিয় এমএমও গেম ‘ডিয়াবলো’র সঙ্গে মিল রয়েছে এর। গেমটি স্টিম প্ল্যাটফর্মে এনেছে অ্যামাজন গেমস।
প্রথম ২৪ ঘন্টাতেই ১০ লাখের বেশি গেমার একযোগে গমটি খেলে একই সময়ে একই গেমে সবচেয়ে বেশি গেমারের অংশগ্রহণের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে গেমটি। তালিকায় শীর্ষে থাকা ‘কাউন্টার-স্ট্রাইক: গ্লোবাল অফেনসিভ’ এবং ‘ডোটা ২’ এর মতো জনপ্রিয় গেমগুলোর রেকর্ড ভেঙে দিয়ে স্টিমের ইতিহাসে বিরল ঘটনার জন্ম দিয়েছে ‘লস্ট আর্ক’।
প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ জানিয়েছে, ‘লস্ট আর্ক’ পশ্চিমা বাজারে আনতে গেমটির দক্ষিণ কোরিয়ান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্মাইলগেট-এর সঙ্গে জোট বেঁধেছিল অ্যামাজন গেমস।
ভার্জের প্রতিবেদন বলছে, এ মুহুর্তে ‘লস্টা আর্ক’-এর জনপ্রিয়তা এতোটাই বেশি যে গেমারদের চাপে সার্ভার জটিলতা দেখা দিয়েছিল। গেমটি খেলার জন্য অপেক্ষমানদের তালিকাও ছিল বড়। ‘স্টিমডিবি’ বলছে একযোগে ‘লস্ট আর্ক’ খেলার চেষ্টা করেছেন ১৩ লাখ ১১ হাজার ৮৪২জন গেমার। সে তুলনায় স্টিমে একযোগে ‘সিএস:গো’ খেলার চেষ্টা করেছেন সর্বোচ্চ ১৩ লাখ আট হাজার ৯৬৩ জন গেমার। আর ‘ডোটা ২’-এর রেকর্ড ১২ লাখ ৯৫ হাজার ১১৪জন গেমারের।
সবমিলিয়ে স্টিম প্ল্যাটফর্মে ‘লস্ট আর্ক’-এর চেয়ে এগিয়ে আছে কেবল একটি গেম, ‘প্লেয়ার আননোন’স ব্যাটলগ্রাউন্ড’ তথা পাবজি। তবে, পাবজি’র রেকর্ড ভাঙতে ‘লস্ট আর্ক’কে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। স্টিম প্ল্যাটফর্মে একই সময়ে একযোগে ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ২৪৮ জন গেমারের রেকর্ড রয়েছে পাবজি’র।
দক্ষিণ কোরিয়ার গেমিং বাজারে ‘লস্ট আর্ক’-এর অভিষেক ২০১৯ সালে। দক্ষিণ কোরিয়াসহ রাশিয়া ও জাপানে গেমটির বিপুল সংখ্যক গেমার আছে বলে জানিয়েছে ভার্জ। ‘ফ্রি-টু-প্লে’ হওয়ায় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম টুইচেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে গেমটি।